মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

মহাপরিচালক

এস. এম. হারুন-অর-রশীদ,

মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত

 

জনাব এস. এম. হারুন-অর-রশীদ ১৪ই জানুয়ারী ২০১৬ তারিখে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। সাংবাদিক, নাট্যকার ও সংস্কৃতি কর্মী জনাব হারুন-অর-রশীদ বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

পেশাগত জীবনে তিনি বিভিন্ন  উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য হিসেবে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর বহুমুখী কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমান পদে যোগদানের অব্যবহিত পূর্বে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।  মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন অফিসে তিনি দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। জনাব হারুন-অর-রশীদ কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি রিয়াদ বাংলাদেশ মিশনেও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। মানব সম্পদ উন্নয়ন ও ফ্রিকোয়েন্সি ম্যানেজমেন্ট এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উপর তিনি প্রভূত দক্ষতা অর্জন করেছেন। গণমাধ্যম ও যোগাযোগের উপর তিনি একজন বিশিষ্ট রিসোর্স পার্সন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা  বিভাগ থেকে তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানী, জাপান, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভারত, বেলজিয়াম, সিঙ্গাপুর এবং হংকং থেকে জনাব হারুন টেলিকম ম্যানেজমেন্ট, গণমাধ্যমের বিষয়বস্তু উন্নয়ন এবং ট্রান্সমিশন ও ব্রডকাস্ট বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। প্রশিক্ষণ গুলো তাঁকে সমৃদ্ধ করেছে, তিনি হয়েছেন ঋদ্ধ।

দেশের একজন প্রখ্যাত নতুনত্ব ও বৈচিত্র্য আগর নাট্যাকার হিসেবে তিনি বেশ কিছু টেলিভিশন নাটক লিখেছেন। টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে জন্য তিনি বেশ কিছু পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। গণমাধ্যম ও যোগাযোগে  অবদানের জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন।

জনাব হারুন-অর-রশীদ ১৯৬২ সালে সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশের নদী তীরবর্তী একটি জেলা, যেখানে মানুষ ও প্রকৃতি উত্তাল যমুনার প্রবহমানতার সাথে প্রাণিত হয়। বাল্যকাল থেকেই জনাব হারুন নদীর গতি আর প্রকৃতির সৌন্দর্যে নিজেকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ লাভ করেন। আর নদীর সাথে তাঁর এই সখ্য তাঁকে নন্দনতত্ত্বে যেমন সমৃদ্ধ করেছে, তেমনি তাঁকে দায়িত্বপরায়ণ, বিনয়ী এবং অনুভূতিপরায়ণ করেছে।


Share with :
Facebook Facebook